আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি (শঙ্খ ঘোষ) প্রশ্ন উত্তর সাজেশন

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি (শঙ্খ ঘোষ) প্রশ্ন উত্তর সাজেশন PDF

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি (শঙ্খ ঘোষ) প্রশ্ন উত্তর সাজেশন (প্রশ্নমান - ৩)

“আমাদের পথ নেই কোনো”—এই পথ না থাকার তাৎপর্য কী?

● মানুষ ক্রমশ চারপাশের অস্থিরতায় অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে। রাজনৈতিক বা সামাজিক অস্থিরতা তাকে কোথাও থিতু হতে দিচ্ছে না। আদর্শবোধের ভাঙন ক্রমশই এত তীব্রতর হচ্ছে যে মানুষের চেতনা কোন্ পথে যাবে তা অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে | ডানদিকে ধ্বংসের তাণ্ডব, বাঁদিকেও মৃত্যুফাঁদ | মাথার ওপরে আক্রমণের আশঙ্কা, চলতে গেলে বাধা। এভাবেই চলার পথ ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের কাছে| সার্বিক অন্ধকার এবং আদর্শহীনতা গ্রাস করছে আমাদের।

“আমাদের শিশুদের শব/ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে।”মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।

● পৃথিবীজোড়া অনিশ্চয়তা, সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন, ধর্মান্ধতা, রাজনৈতিক আদর্শহীনতা ইত্যাদি সমাজকে অস্থির করে তুলছে। পৃথিবীজুড়ে যেন মারণযজ্ঞ চলছে। আর যে-কোনো যুদ্ধ অথবা সন্ত্রাসে শিশুহত্যার ঘটনা ঘটে যথেষ্টই। এই নারকীয় দৃশ্য কোনো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় যে ঘটে তা নয়, ঘটতে পারে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তেই। এ শুধু অমানবিকতার প্রকাশ নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিনাশ। একই পৃথিবীতে বেঁচে থেকে কবি এই ধ্বংসলীলায় উদাসীন থাকতে পারেননি।

“আমাদের ইতিহাস নেই”—কথাটি ব্যাখ্যা করো।

● ইতিহাস আসলে জাতির আত্মবিকাশের গৌরবময় কাহিনি, তার ঐতিহ্যের পুনরুদ্ধার | কিন্তু যখন সেই ইতিহাস নিয়ন্ত্রিত হয় কোনো ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী, ধর্মসম্প্রদায় কিংবা রাজনীতির দ্বারা, তখন ইতিহাসের সেই মহিমার বিকৃতি ঘটে| ক্ষমতাশালীরা নিজেদের স্বার্থে ইতিহাসকে নিজেদের মতো করে গড়ে তোলে। মানুষ একসময় বিস্মৃত হয়ে যায় তার প্রকৃত ইতিহাস, আর চাপিয়ে দেওয়া ইতিহাসকেই নিজের বলে গ্রহণ করে। এই পরিপ্রেক্ষিতকেই এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

“আমরাও তবে এইভাবে/এ মুহূর্তে মরে যাব না কি?” কবির এই ভাবনার কারণ আলোচনা করো।

● চারপাশের অরাজকতা, ধর্ম কিংবা রাজনীতি—প্রতিটি ক্ষেত্রেই অসহিমুতা, সাম্রাজ্যবাদের সীমাহীন লোভ ইত্যাদি পৃথিবীজুড়ে হত্যা আর ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে। বেঁচে থাকাটাই যেন এক বিস্ময় | হয়ে উঠেছে। শিশুরা পর্যন্ত এই মারণলীলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এই অবস্থায় প্রতিটি মানুষই যেন বেঁচে থাকার অনিশ্চয়তাবোধে আক্রান্ত | সর্বোপরি, এই পরিজনহীন অবস্থাতে বেঁচে থাকা যেন মৃত্যুর মতো যন্ত্রণাদায়ক। এ কারণেই কবি মন্তব্যটি করেছেন।

“আমাদের চোখমুখ ঢাকা/আমরা ভিখারি বারোমাস”মন্তব্যটির তাৎপর্য লেখো।

● কবি আমাদের ইতিহাস প্রসঙ্গে কথাটি বলেছেন | দেশ কিংবা জাতির যথার্থ বিকাশের ইতিহাস শাসক বা ক্ষমতাসীনদের দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত হয় | কারণ নিজেদের স্বার্থে তারা ইতিহাসকে এমনভাবে গড়ে তুলতে চায়, যেন তা শুধু তাদেরই | আর আমরা অসহায়ের মতো সেই ইতিহাসকেই নিজেদের ইতিহাস বলে গ্রহণ করি। ভিখারিবৃত্তিতেই জীবন কাটানো অভ্যেস হয়ে যাওয়ায় নিজেদের ইতিহাসের সন্ধানটুকুও আমরা করি না | এই উষ্ঞবৃত্তিকে করেই কবি উদ্ধৃত উক্তিটি করেছেন।

“আমাদের কথা কে বা জানে।” -এই মন্তব্যের দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন লেখো।

● আজকের পৃথিবী পরিচালিত হয় ক্ষমতাসীনদের দ্বারা। ধর্ম, সমাজ, রাষ্ট্রনীতি প্রতিটি ক্ষেত্রেই শুধু যারা ক্ষমতাশালী তারাই সবকিছুকে নিয়ন্ত্রণ করে। সাধারণ মানুষ সেখানে উপেক্ষিত | দরজায় দরজায় ঘুরে বেড়ানোটাই তার নিয়তি | অর্থাৎ অন্যের কৃপার ওপরে নির্ভর করে বেঁচে থাকা ছাড়া তার গত্যন্তর নেই | এই মানুষরা হয়তো দক্ষতা কিংবা প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও উপযুক্ত মূল্য পায় না | অন্যের সাহায্য বা করুণার ওপরেই তাদের নির্ভর করে থাকতে হয়।

“তবু তো কজন আছি বাকি”—এই মন্তব্যের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

● পৃথিবীজুড়ে সামাজিক এবং রাষ্ট্রনৈতিক ক্ষেত্রে আদর্শহীনতার বিস্তার আমাদের দিগ্‌ভ্রান্ত করছে, চলার পথ কোথাও সহজ নয়। এই অবস্থায় বেশিরভাগ মানুষই যখন হতাশাগ্রস্ত তখনও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন দু-একজনকে অন্তত পাওয়া যায় যারা পারস্পরিক একাত্মতার কথা বলে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে না দাঁড়ালে এই ভয়ংকর বিপদের মুহূর্তে বিপদকে রুখে, শান্তি ফিরিয়ে আনা যাবে না| একতার শক্তিতেই এভাবে দিনবদলের স্বপ্ন দেখেন কবি, স্বপ্ন দেখেন প্রতিরোধের।

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি (শঙ্খ ঘোষ) প্রশ্ন উত্তর সাজেশন (প্রশ্নমান - ৫)

“আমাদের ডান পাশে ধ্বস/আমাদের বাঁয়ে গিরিখাদ”সমগ্র কবিতার পরিপ্রেক্ষিতে এই মন্তব্যের তাৎপর্য লেখো।

● শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি অস্থির সময়ে দাঁড়িয়ে মানুষের বিপন্নতাকে ছোঁয়ার চেষ্টা | বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছিল সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার অনেকগুলি সংকট। একুশ শতকের সূচনা থেকেই দেশ ও পৃথিবীজুড়ে এই মানবিক সংকট আরও তীব্র হয়ে ওঠে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দ্বারা নির্বিচারে আক্রান্ত হয়েছে একের পর এক দেশ। মধ্যযুগীয় বর্বরতা, ধর্মান্ধতা ‘হিমানীর বাঁধ’-এর মতো চলার পথকে রুদ্ধ করে তুলেছে। ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষে মানুষে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে। সব মিলিয়েই মৃত্যু, রক্তাক্ততায় পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে পৃথিবী | অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে সাধারণ মানুষ— “আমরাও তবে এইভাবে/এ মুহূর্তে মরে যাব না কি?” এই অবস্থায় প্রয়োজন ছিল আদর্শবোধের প্রতিষ্ঠা, যা পথ দেখিয়ে নিয়ে যেতে পারত আমাদের। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেখানেও কোনো দিশা কবি | দেখতে পাচ্ছেন না। ‘সম্পর্কের উৎসব’ নামক গদ্যরচনায় কবি | লিখেছিলেন—“নতুন শতাব্দীর মানুষকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে তার আয়োজন। ...যেখানে এক সম্প্রদায়ের মানুষ আর অন্য সম্প্রদায়ের মানুষ শুধু মানুষ পরিচয়েই মেলাতে পারেন হাত...।” কিন্তু দিশাহীন রাজনীতি এবং রাষ্ট্রনীতি থেকে কবি সেই আদর্শের আলো খুঁজে পাচ্ছেন না, যা পথ দেখাতে পারে।

“আমাদের ইতিহাস নেই”—এই ইতিহাস না থাকার কথা বলে কবি আসলে কী বোঝাতে চেয়েছেন সমগ্র কবিতা অবলম্বনে লেখো।

● ইতিহাস হল প্রকৃতপক্ষে কোনো জাতির এবং সভ্যতার আত্মবিকাশের পথ ও পর্যায়ের কাহিনি। তাই অতীতের উপরে দাঁড়িয়ে যখন বর্তমানকে তৈরি করা যায় তখনই তা যথাযথ হয়। একেই বলা যায় ঐতিহ্যের বিস্তার, যা ভবিষ্যতকে সুদৃঢ় ও সুনিশ্চিত করে তোলে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় এই যে, আমাদের প্রকৃত ইতিহাস থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন হয়েছি | শঙ্খ ঘোষ যখন তাঁর ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় যখন আমাদের ইতিহাস না থাকার কথা বলেন, তখন তা আসলে দেশ এবং জাতির এই শিকড়বিচ্ছিন্নতার দিকেই ইঙ্গিত করে। শুধু ইতিহাস না থাকা নয়, বিকৃত এবং ভ্রান্ত ইতিহাসের মধ্যে পড়ে দিভ্রান্ত মানুষের কথাও কবি বলেছেন| পৃথিবীর ইতিহাসে যারাই যখন ক্ষমতায় থেকেছে ইতিহাসকে তারা তখন নিজেদের মতো করে, নিজেদের স্বার্থে পরিচালিত করেছে | যথার্থ মানুষের ইতিহাস কোনো মূল্য পায়নি | সে ইতিহাসে তাই “আমাদের চোখমুখ ঢাকা/ আমরা ভিখারি বারোমাস।” তাই প্রথাগত ইতিহাস মানুষকে অন্ধ করে তোলে, চাপিয়ে দেওয়া ইতিহাসকে নিজেদের ইতিহাস বলে মেনে নিতে হয়। ইতিহাসবিচ্ছিন্ন জাতি আসলে শিকড়বিচ্ছিন্ন জাতি | ঐতিহ্য থেকে দূরে সরে গিয়ে বর্তমানের সংকটে তাই পরিত্রাণের পথ খুঁজে পাওয়া ক্রমশই অসম্ভব হয়ে ওঠে।

“আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি।”—কবির এই আহ্বানের প্রয়োজনীয়তা কবিতা অবলম্বনে লেখো।

● শঙ্খ ঘোষ তাঁর ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতায় অস্থির সময়ে মানুষের বিপন্নতার ছবিকে তুলে ধরেছেন। রাজনৈতিক আদর্শহীনতা যেমন মানুষকে ঠিক পথ দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছে তেমনই সাম্রাজ্যবাদ, ধর্মান্ধতার মতো অসুখ সমাজকে রক্তাক্ত করছে | অস্তিত্বের সংকটে বিপন্ন মানুষ | “আমাদের পথ নেই কোনো/আমাদের ঘর গেছে উড়ে/আমাদের শিশুদের শব/ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে!”—এই বিপন্নতা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য প্রেরণা সংগ্রহ করার মতো কোনো ইতিহাসও আমাদের নেই | কারণ ক্ষমতাসীনরা যে ইতিহাস আমাদের উপহার দিয়েছে তা বিকৃত এবং তাদের মতো করে গড়ে তোলা। এখানে ‘ভিখারি’ হয়ে বেঁচে থাকাটাই মানুষের নিয়তি।

এই হতাশার মধ্যেই মুক্তির পথ খুঁজেছেন কবি। তাঁর মনে হয়েছে যে কোথাও কিছু না থাকলেও এমন কিছু মানুষ এখনও সমাজে রয়েছে যারা তৈরি করবে সম্প্রীতির এবং সৌভ্রাতৃত্বের পথ | এর জন্যই দরকার পরস্পরের হাত ধরা। কোনো পথ দেখতে না পাওয়ার সময়ে হাতে হাত রেখে এই বেঁধে থাকাটা অত্যন্ত জরুরি।

শঙ্খ ঘোষের 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতার মূল বক্তব্য সংক্ষেপে আলোচনা করো।

● কবিকে ব্যথিত করেছে রাজনৈতিক আদর্শহীনতা। ডানদিকে ধস আর বাঁদিকে গিরিখাত জীবনের চলার পথকেই দুর্গম করে তোলে। মাথার ওপরে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তাণ্ডব, চারপাশে ধর্মান্ধতা, মধ্যযুগীয় বর্বরতা ইত্যাদি যেন ক্রমশই পথকে ধূসর ও বিবর্ণ করে দেয়। মৃত্যুর আতঙ্ক তাড়া করে সব মানুষকেই

যে জাতীয়তার ধারণা মানুষের সঙ্গে মানুষকে আত্মীয়তার বন্ধনে বাঁধতে পারত তা-ও বিরল। কারণ, “আমাদের ইতিহাস নেই’’ | ইতিহাস না থাকার অর্থ ইতিহাসের সত্যকে মানুষ পায় না, যা তাদের পথ দেখাতে পারে। ক্ষমতাসীনরা নিজেদের প্রয়োজনে নিজেদের মতো করে ইতিহাস তৈরি করে নেয়। সাধারণ মানুষ সেখানে উপেক্ষিত হয়। —“আমাদের কথা কে বা জানে/আমরা ফিরেছি দোরে দোরে।”

তবুও কিছু মানুষ থেকে যায়, মানুষের সঙ্গে আত্মীয়তার সেতুবন্ধ তৈরি করাই যাদের কাজ| শঙ্খ ঘোষ তাঁর গদ্যরচনায় লিখেছিলেন—“আমাদের রাষ্ট্রনায়কেরা এমন এক মৃঢ় অহমিকা প্রকট করে তুলতে চাইছেন দেশবাসীর মনে, ফ্যাসিবাদ যার সুনিশ্চিত পরিণাম। অথচ আজও মানুষের মনে এক স্বাভাবিক মিলনক্ষুধা আছে, এক দেশের মানুষকে আর-এক দেশের মানুষ অন্তরঙ্গ ভালোবাসাতেই জড়িয়ে নিতে চায় আজও ....।” (“এ আমরা কী করছি’)। এই ভালোবাসা আর মানবমৈত্রীর কথাই কবি উচ্চারণ করেছেন ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায়।

‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি'—কবিতায় কবিচেতনার কোন্ অভিনবত্ব লক্ষ করা যায় আলোচনা করো।

● চারপাশের অশান্ত সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি রচিত। রাষ্ট্রীয় ভণ্ডামি, সাম্রাজ্যবাদের বিস্তার, ধর্মীয় উগ্রতা এবং ক্রমশ চেপে বসা আদর্শহীনতা—ইত্যাদির বিস্তার কোনো পথের সন্ধান দেয় না, বরং এক নিরাশ্রয়তার দিকে নিয়ে যায়। মানুষ ক্রমশই যেন অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ছে। যে ইতিহাস অনুপ্রেরণা হতে পারত, তা-ও ক্ষমতাবানদের দ্বারা বিকৃত। এই পরিস্থিতিতে পৃথিবীর টিকে থাকাটাই সন্দেহের| তবুও সম্প্রীতির পথ ধরেই মানুষকে চলতে হবে। একতাই পারে এই সংকট থেকে মানুষকে মুক্ত করতে। সেই মানববন্ধনের কথাই কবি এখানে বলেছেন | মনুষ্যত্বের এই বার্তাকে প্রকাশ করা যদি কবিতার বিষয় হয়, তাহলে তাকে রূপ দিতে গিয়ে এক অনায়াস শব্দশৈলী ও প্রকাশরীতি কবি অনুসরণ করেছেন | লক্ষ করার মতো যে, কবিতায় অন্ত্যমিল থাকলেও তা হয়েছে দ্বিতীয়র সঙ্গে চতুর্থ, ষষ্ঠ-র সঙ্গে অষ্টম—এই ধারা মেনে। উত্তম পুরুষের জবানিতে কথা বলায় কবি যেন সব মানুষের প্রতিনিধি হয়ে উঠেছেন। শব্দ ব্যবহারে জটিলতা এড়িয়ে তিনি কবিতাকে আন্তরিক করে তুলেছেন| সময়ের বিপন্নতা, আর তা থেকে মুক্তির চেষ্টা—দুটোই তাই আবেগময় হয়ে উঠেছে।

Samiran

Content Creator / Author

Previous Post Next Post