কোনি মাধ্যমিক প্রশ্ন ও উত্তর সাজেশন (৭৫ - ৯০ টি)

কোনি মাধ্যমিক প্রশ্ন ও উত্তর সাজেশন ৭৫ থেকে ৯০ টি, কোনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর, কোনি নতুন সাজেশন, মাধ্যমিক বাংলা কোনি সাজেশন, কোনি সাজেশন.

কোনি মাধ্যমিক প্রশ্ন ও উত্তর সাজেশন (৭৫ - ৯০ টি)(প্রশ্নমান-৫)

  1. “আমাকে রাগালে কী হয় এবার বুঝলি তো।”—কে কাকে | উদ্দেশ্য করে কথাটি বলেছে? কোন্ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্যটি করা হয়েছে?
  2. ● কোনি উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কোনি ভাদুকে উদ্দেশ্য করে মন্তব্যটি করেছে।

    গঙ্গায় নিয়মিত সাঁতার কাটা এবং হুটোপাটিতে অভ্যস্ত কোনি এবং তার দুই সঙ্গী গঙ্গায় ভেসে যাওয়া একটা আম ধরার জন্য প্রতিযোগিতা চালাচ্ছিল। সেখানে কোনি যখন লক্ষ্যের প্রায় কাছাকাছি, সেই সময়ে ভাদু তার চুল ধরে টানে এবং তার মাথা ধরে কাদায় মুখ ঘষে দেওয়ার চেষ্টা করে। কোনি তার পালটা হিসেবে ভাদুর ডানহাতটা মুখের কাছে টেনে তার দুটো আঙুলে কামড়ে দেয়। শুধু তাই নয় সে ভাদুর উপরে ঝাঁপিয়ে তার চোখ বলে নেওয়ার হুমকি দেয় এবং আম না পেলে কোনোভাবেই ভাদুকে না ছাড়ার কথা বলে| রক্তাক্ত ভাদু হিংস্র কোনির সামনে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় এবং তাকে আম দিয়ে দেয় | সেই আমে কামড় দিয়ে তার টক স্বাদে বিব্রত হয়ে কোনি আমটিকে আবার জলে ফেলে দেয় কিন্তু এতক্ষণে তার মানসিক স্থিরতা ফিরে আসে। সে ভাদুর হাতের ক্ষতের খবর নেয় এবং তখনই কিছুটা নরম হয়ে “যেমন কাজ করেছিলে তেমনই ফল পেয়েছিস” মন্তব্যটি করে।

  3. “গ্রে স্ট্রীটে ট্রামলাইন ঘেঁষে একফালি ঘরে দোকানটি।” কার কোন্ দোকানের কথা বলা হয়েছে? কাহিনিতে দোকানের প্রসঙ্গে কী তথ্য পাওয়া যায় ?
  4. ● মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাস থেকে গৃহীত প্রশ্নোদ্ধৃত অংশে ক্ষিতীশ সিংহের স্ত্রী লীলাবতীর ‘প্রজাপতি’ দোকানটির কথা বলা হয়েছে।

    → দোকানটির আগে নাম ছিল সিন্‌হা টেলারিং | সেই সময় ক্ষিতীশ দোকান চালাতেন আর দুজন দর্জি জামাপ্যান্ট তৈরি করত। সঙ্গে দেয়াল আলমারিতে থাকত কিছু সিন্থেটিক কাপড়। কিন্তু সাঁতারে আসক্ত ক্ষিতীশ দু-ঘণ্টাও দোকানে থাকতেন না, বরং তাঁকে প্রায় সবসময়ই পাওয়া যেত জুপিটার সুইমিং ক্লাবে। এভাবে চলতে চলতে হঠাৎ একদিন আবিষ্কার করা হয় যে আলমারির কাপড় অর্ধেকেরও বেশি অদৃশ্য হয়েছে, দোকানের চারমাসের ভাড়া বাকি আর লাভের বদলে শুধুই লোকসান | এই অবস্থায় লীলাবতী দোকানের দায়িত্ব নেয়। নিজের গয়না বন্ধক দিয়ে দোকানটিকে ঢেলে সাজায়, নতুন নাম হয় ‘প্রজাপতি’ | পুরুষদের পোশাক তৈরি বন্ধ করে দিয়ে টেলারিং-এ ডিপ্লোমা পাওয়া দু-জন মহিলাকে নিয়ে সে শুধুমাত্র মেয়েদের এবং বাচ্চাদের পোশাক তৈরি করতে থাকে, তার দোকান প্রতিষ্ঠা পায়। কাজের চাহিদাও প্রবলভাবে বেড়ে যায়—যে কারণে তাকে নতুন ঘর খুঁজতে হয়।

  5. “এখন মুহূর্তে বুঝে যায় আর কথা বাড়ালে তাকেই গোল্লায় যেতে হবে।' -কোন্ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্যটি করা হয়েছে?
  6. ● উদ্ধৃতাংশটি মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাস থেকে গৃহীত হয়েছে। ‘কোনি' উপন্যাসে সাঁতার প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ সিংহের খাওয়াদাওয়া নিয়ে যথেষ্ট বাতিক ছিল কিংবা বলা যেতে পারে, এ বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট নিয়মানুসারী ছিলেন। তাঁর বাড়িতে রোজই কুকারে প্রায় সিদ্ধ রান্না হত, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন মশলাদার খাবারে স্বাস্থ্য বজায় থাকে না। অন্য দিকে সিদ্ধ রান্নায় প্রোটিন ভিটামিন রক্ষা করা যায়। তাই শরীরও সুস্থ থাকে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেন বলেই, তাঁর খাওয়া থালায় স্ত্রী লীলাবতী খেতে গেলে তিনি বিষয়টি অস্বাস্থ্যকর এবং কুসংস্কারের প্রকাশ বলে মনে করতেন। কিন্তু স্ত্রী লীলাবতীকে তিনি যথেষ্ট সমীহ করে চলতেন। সেজন্য লীলাবতী যে মুহূর্তে অত্যন্ত ঠান্ডা গলায় বিষয়টিকে তাঁর নিজস্ব ব্যাপার বলে জানাতেন, তখনই ক্ষিতীশ আর এ বিষয়ে কোনো কথা বলতেন না। কারণ তিনি জানতেন যে তাহলে পরবর্তী ঘটনাক্রম তাঁর বিরুদ্ধে চলে যাবে। তাই তিনি আর কথা না বাড়িয়ে চুপ করে থাকাই শ্রেয় বলে মনে করতেন।

  7. “আমার বিরুদ্ধে চার্জগুলো স্পষ্ট করে চিঠিতে বলা নেই।”—কে, কখন মন্তব্যটি করেন? তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি কী ছিল ?
  8. ● প্রশ্নোদ্ভূত মন্তব্যটি করেছেন সাঁতার প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ সিংহ ওরফে ক্ষিদ্দা।

    → জুপিটার সুইমিং ক্লাবের মিটিং-এ প্রেসিডেন্ট বিনোদ ভড়ের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সম্পাদক ধীরেন ঘোষ বলেন যে, সেদিনের সভায় বেশি সময় লাগার মতো কিছু নেই, কারণ একমাত্র আলোচ্য বিষয় সাঁতারুদের দেওয়া চিঠি—যেটি আসলে ‘ক্ষিদ্দা’-এর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র | সেই চিঠিটি যেহেতু আগে থেকেই সদস্যদের মধে বিতরণ করা হয়েছে, ফলে নতুন করে বিশেষ কিছু বলার নেই আত্মপক্ষ সমর্থনেই এই সময়ে ক্ষিতীশ তীব্র আপত্তি জানান এবং মন্তব্যটি করেন।

    → ক্ষিতীশের সম্পর্কে অভিযোগ এনেছিল ক্লাবের যে সাঁতারুরা, সম্পাদক ধীরেন ঘোষের বয়ান অনুযায়ী তারা সাত-আট বছর ধরে ক্লাবের হয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করেছে, পদক নিয়ে এসেছে। সেই অভিযোগের মূল বিষয়গুলি হল ক্ষিদ্দা বরিষ্ঠ সাঁতারুকে ‘জুনিয়র’দের সামনে অপমান করেছেন। ইনফ্লুয়েঞ্জার কারণে দশদিন অনুশীলনে আসতে না পারায় একজন সাঁতারুর বাড়িতে গিয়ে তার বাবাকে অপমান করে এসেছেন। ক্ষিদ্দার জন্যই ক্লাবের কৃতী মহিলা সাঁতারুরা অন্য ক্লাবে চলে গিয়েছেন। তিনি পুরুষদের মতোই তাদের এক্সারসাইজ করাতে চেয়েছেন, সাজপোশাক নিয়ে বকাঝকা করেছেন, এমনকি জোর করে তাদের চুল কেটে দিতে চেয়েছেন। অভিযোগের এই দীর্ঘ তালিকাই ক্ষিদ্দা সম্পর্কে পেশ করা হয়।

  9. “টেবিলের মুখগুলি উজ্জ্বল হয়ে উঠল।”—টেবিলের মুখগুলি বলতে কাদের কথা বলা হয়েছে? মুখগুলির উজ্জ্বল হয়ে ওঠার কারণ কী?
  10. ● মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাস থেকে উদ্ধৃতাংশটি গৃহীত হয়েছে। জুপিটার সইমিং ক্লাবের মিটিংয়ে উপস্থিত ক্লাবের সম্পাদক ধীরেন ঘোষ এবং অন্যান্য সম্পাদকবৃন্দ যেমন— যজ্ঞেশ্বর ভট্টাচার্য, বদু চাটুজ্জে, হরিচরণ মিত্তির প্রমুখের কথা এখানে বলা হয়েছে।

    COMING

  11. “এরা সুইমারদের কোচ, নভিসদের নেয়।”—কাদের কথা বলা হয়েছে? মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
  12. ● মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাস থেকে উদ্ধৃত অংশটি গৃহীত হয়েছে। জুপিটার সুইমিং ক্লাবের মিটিং-এ ক্ষিতীশ ‘এরা’ বলতে পৃথিবীর বিখ্যাত সাঁতার প্রশিক্ষক যেমন—ট্যালবট, কারলাইল, গ্যালাঘার, হেইনস, কাউন্সিলম্যান প্রমুখের কথা বলেছেন।

    → জুপিটার সুইমিং ক্লাবের সাঁতার প্রশিক্ষক ছিলেন ক্ষিতীশ সিংহ| ক্লাব এবং সাঁতারই ছিল তাঁর ধ্যান জ্ঞান। ক্ষিতীশ সিংহ ক্লাবের পুরস্কারবিজয়ী সাঁতারুদেরও অনুশীলনে ফাঁকি বরদাস্ত করতেন না। এইসব কারণে সিনিয়ার সাঁতারুরা ক্ষিতীশ সিংহের ওপর ক্ষুদ্ধ ছিল। ক্লাবের মিটিংয়ে শুরু থেকেই এই ধারণা প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা হয় যে, সাঁতারু হিসেবে ক্ষিতীশের দক্ষতা একেবারেই নেই। : ক্ষিতীশও নিজের সীমাবদ্ধতা আংশিকভাবে মেনে নিয়ে জানান যে, । সাঁতারু হিসেবে প্রতিযোগিতায় পদক পাওয়া তাঁর হয়নি| কিন্তু ! যেভাবে হরিচরণের অলিম্পিকে অংশগ্রহণের ঘটনাকে সেখানে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে পরিবেশন করা হয়, তা ক্ষিতীশ মানতে পারেননি। তাই বিখ্যাত সাঁতার প্রশিক্ষকদের নাম উল্লেখ করে ক্ষিতীশ বলেন যে, তাঁরা কেউই অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন নন। আসলে একজন দক্ষ । সাঁতার প্রশিক্ষক সাঁতার শেখাবার কাজ করেন না, সাঁতারুদের 1 দক্ষতাকে বাড়িয়ে দেন— এটাই ছিল তাঁর মত।

  13. “লক্ষ্য পূরণ করতে নাড়ির বাঁধন ছিঁড়ে বেরোতেই হবে।”—কারণ কখন এই উপলব্ধি হয়েছিল কোনি উপন্যাস অবলম্বনে আলোচনা করো।
  14. ● ‘কোনি’ উপন্যাসে জুপিটার সুইমিং ক্লাবের মিটিং-এ তীব্র 1 অপমান করে ক্ষিতীশ সিংহকে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে বাধ্য করা হয়। সাঁতার শেখানোকেই জীবনের সর্বস্ব করে নেওয়া ক্ষিদ্দা এই ৷ ঘটনাতে সম্পূর্ণ কর্মহীন হয়ে পড়েন। দিঘির অন্ধকার জলের দিকে তাকিয়ে যখন তিনি হয়তো হতাশার গভীরতাকে মাপার চেষ্টা করছেন, সেই সময়ই তাঁর কাছে আসে পূর্ব পরিচিত যুবক ভেলো। সে ক্ষিতীশকে পরামর্শ দেয় প্রতিযোগী ক্লাব অ্যাপোলোয় চলে যাওয়ার জন্য। ‘জুপিটারের শত্রু’ ক্লাবে যাওয়ার বিষয়ে ক্ষিতীশ প্রবল অনীহা দেখান। তখন ভেলো তাঁকে বোঝায় যে, অ্যাপোলোয় গেলে ক্ষিতীশ শেখানোর উপযুক্ত ছেলেমেয়ে পাবেন, জল পাবেন। যে কাজ হারিয়ে গিয়েছে তা ফেরত পাবেন| অপমানের শোধ নেওয়ার জন্য শত্রুমিত্র বাছবিচার করে কোনো লাভ নেই—এ কথাও ভেলো বলে| এসব কথায় ক্ষিতীশের মধ্যে সম্পর্ক প্রবল দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়| জুপিটারের সঙ্গে যেমন তাঁর নাি ঠিক তেমনই সাঁতারু তৈরি করাও তাঁর জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। সুতরাং লক্ষ্যপূরণ করতে গেলে সম্পর্ককে অস্বীকার করতেই হবে। এভাবেই ক্ষিতীশের মধ্যে দ্বন্দ্বের প্রবল অভিঘাত তৈরি হয়|

  15. “এটা হল যুদ্ধ—ন্যায় অন্যায় বলে যুদ্ধে কিছু নেই। শত্রু মিত্র বাছবিচার করে কোনো লাভ নেই।”—কে, কোন্ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা বলেছে আলোচনা করো।
  16. ● ‘কোনি’ উপন্যাসে মন্তব্যটি করেছে সাঁতার প্রশিক্ষক ক্ষিতীশের বিশ্বস্ত অনুচর ভেলো।

    → কোনিকে সাঁতার শেখাতে গিয়ে জুপিটারের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে ক্ষিদ্দা অ্যাপোলোর দ্বারস্থ হন এবং নিজে যে কোনোদিনও অ্যাপোলোর লোক হবেন না—এ কথা জানিয়েও তিনি বলেন যে, কোনি যদি কোনো সাফল্য পায় তাহলে সেই সাফল্য হবে অ্যাপোলোর। কিন্তু এ কথা বলার পরেও ক্ষিদ্দার মনের মধ্যে দ্বিধা কাজ করে। সেদিন তাঁর রাত নিদ্রাহীন কাটে এবং অ্যাপোলোয় গিয়ে তিনি ঠিক কাজ করেছেন কি না—এই ঔচিত্যবোধ তাঁকে পীড়িত করে। এই অবস্থায় পরদিন সকালেই ভেলো তাঁর বাড়িতে আসে। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে, ক্ষিদা জুপিটার থেকে বিতাড়িত হওয়ার পরে এই ভেলোই তাঁকে বলেছিল অ্যাপোলোতে যোগ দেওয়ার জন্য। এখন অ্যাপোলোয় যোগদানের খবর শুনে ভেলো তাঁকে স্বাগত জানায়| কারণ তার মতে যুদ্ধে কোনো ন্যায়-অন্যায়ের জায়গা নেই, শত্রুমিত্রেরও কোনো বাছবিচার নেই। জুপিটারকে ‘শায়েস্তা’ করতে গেলে নাড়ির সম্পর্কের পুরোনো কাহিনিগুলোকে ভুলে যেতেই হবে| এভাবে ক্ষিদ্দার উদ্দেশ্যে ভেলো আবেগকে বর্জন করে আরও বাস্তববাদী হওয়ার পরামর্শ দেয়।

  17. “সাধ্যের বাইরে গিয়ে নিজেকে ঠেলে নিয়ে যেতে হবেই নয়ত কিছুতেই সাধ্যটাকে বাড়ানো যাবে না।”—এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে বক্তার যে মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে তা বিশ্লেষণ করো।
  18. ● জুপিটারের কাছ থেকে প্রত্যাখাত হয়ে ক্ষিদ্দা অ্যাপোলোতে সাঁতারু হিসেবে কোনিকে গড়ে তোলার সাধনায় মগ্ন হয়ে যেতে চান | কিন্তু সূচনাপর্বে কোথাও যেন কোনি এবং ক্ষিদ্দার মধ্যে একটা বোঝাপড়ার অভাব দেখা যায় | সতেরো দিনেও স্ট্রোক না শিখতে পারার জন্য ক্ষিদ্দা কোনির প্রতি উষ্মা প্রকাশ করেন আবার ক্ষিদ্দার এই খুঁতখুঁতে স্বভাব কোনিও মেতে নিতে পারে না। “আমার ভালো লাগছে না”—এই কথা বলে সে অনায়াসে তাই জল থেকে উঠে যায়| ক্ষিতীশ তাকে সাঁতারের পোশাকের লোভ দেখালেও কোনো কাজ হয় না। তখন তাকে খাবারের প্রলোভন দেখানো হয় এবং তাতেই কোনি থমকে দাঁড়ায়। সে শর্ত দেয় যে, খাবার সে বাড়িতে নিয়ে যাবে। সুযোগ বুঝে ক্ষিতীশও পাল্টা শর্ত দেন, “তাহলে আরও এক ঘণ্টা জলে থাকতে হবে।” এই কথাটা বলার পরেই ক্ষিতীশ মানসিকভাবে ব্যথিত হন। ক্ষুধার সুযোগ নেওয়াকে তাঁর অমানবিকতা বলে মনে হয় | কিন্তু একইসঙ্গে ক্ষিদ্দার ভিতরে তাঁর সাঁতার প্রশিক্ষক সত্তাটি অত্যন্ত প্রকট হয়ে ওঠে। ক্ষিদ্দার মনে হয় সাধ্যের বাইরে বেরোতে পারলেই একমাত্র সাধ্যকে অতিক্রম করা যাবে। এর জন্য হয়তো যন্ত্রণায় লুটিয়ে পড়তে হবে, শরীর টলবে, কিন্তু সেই যন্ত্রণাকে হারাতে না পারলে সাফল্য আসবে না।

  19. “ক্ষিতীশের রাগটা মুহূর্তে অবাক হয়ে যায়।”—ক্ষিতীশের এই মনোভাবের পরিবর্তনের কারণ আলোচনা করো।
  20. ● জুপিটার থেকে বিতাড়িত ক্ষিতীশ চেয়েছিল সাঁতারু হিসেবে কোনিকে গড়ে তুলে জুপিটারকে উপযুক্ত জবাব দিতে। কিন্তু কোনি ছিল অমনোযোগী | তাই কখনও ক্ষিতীশের তিরস্কারে সে জল থেকেই উঠে পড়ে। খাবার পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পেয়ে তবে সে জল নামতে রাজি হয়। আবার বিকেলের অনুশীলনে সে অনুপস্থিত থাকে | পরদিন সকালে কোনি যখন আধঘণ্টা দেরিতে অনুশীলনে আসে, স্বভাবতই তিনি ক্রুদ্ধ হন। কিন্তু ক্ষিদ্দা কিছু _বলার আগেই কোনি দাবি জানায় যে, খাবারের বদলে তাকে যেন রোজ একটাকা করে দেওয়া হয়। তার এই কথায় দারিদ্র্যের মোকাবিলা করার যে সুপ্ত অভিপ্রায় ছিল, খিদের যন্ত্রণাকে ভুলে যাওয়ার জন্য যে প্রাণান্তকর প্রয়াস ছিল— তা রাগের বদলে ক্ষিতীশকে বেশি বিস্মিত করে। যদিও মৌখিকভাবে ক্ষিদ্দা রাগেরই প্রকাশ ঘটান। সাঁতার শেখানোর জন্য একটাকা করে দিতে হবে, এটা যে তাঁর পিতৃদায় নয় তা ক্ষিদ্দা স্পষ্ট করে দেন। কিন্তু কোনিও ছিল বেপরোয়া—“অত খাটাবেন আর খেতে দেবেন না?” কোনির এ কথা শুনে ক্ষিদ্দা হেসে ফেলেন | তার মধ্যে দিয়ে দুজনের যেন এক নিঃশব্দ বোঝাপড়া হয়ে যায়।

  21. “ক্লাবই সুইমার তৈরি করে ওরা করে মোড়লি”— কাকে উদ্দেশ্য করে কথাটা বলা হয়েছে? এর তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
  22. ● ‘কোনি’ উপন্যাসে প্রশিক্ষক ক্ষিদ্দা অ্যাপোলো ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট নকুল মুখজ্জেকে উদ্দেশ্য করে মন্তব্যটি করেছেন।

    → জুপিটার থেকে অ্যাপোলোয় আসার পরে অ্যাপোলো ক্ষিদ্দাকে সাদরে গ্রহণ করেছিল। সেই সময় নকুল মুখুজ্জে ক্ষিদ্দাকে বলেছিলেন—“তোর জুপিটার থেকে বেরিয়ে আসা মানে আমাদের শত্রুর দুর্গের একটা খিলেন ভেঙে পড়া।” পরবর্তীতে ক্ষিদ্দা হয়ে ওঠেন অ্যাপোলোর একটা ভরসার জায়গা। তাঁকেই নকুল মুখজ্জে একজন পয়সাওয়ালা লোককে জোগাড় করে দিতে বলেন যাঁকে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট রাখা হবে। এইসময় তিনি ক্ষিদ্দাকে বলেছিলেন যে তাঁকে রাজ্য সংস্থার নির্বাচন কমিটি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং সে সবই হয়েছে জুপিটারের চক্রান্তে | এই কথার পরিপ্রেক্ষিতেই ক্ষিদ্দা মন্তব্যটি করেন।

    → ক্ষিদ্দার মন্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে একজন দক্ষ সাঁতার প্রশিক্ষকের মনোভাব। প্রশাসনিক বিষয়কে না বুঝে যিনি শুধুমাত্র প্রশাসকের দায়বদ্ধতা থেকে মনে করেন যে, রাজ্য পর্ষদের থেকে একজন সাঁতারুর জীবনে ক্লাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্লাবই সাঁতারু তৈরি করে। সেই সাঁতারু যখন জাতীয় বা আর্ন্তজাতিক ক্ষেত্রে সাফল্য পায়, তখন কিন্তু রাজ্যপর্ষদ সেটাকে তার কৃতিত্ব বলেই দাবি করে। আসলে রাজ্যপর্ষদের ভূমিকাটা অত্যন্ত মাতব্বরির। একজন প্রশিক্ষক হিসেবে তাকে স্বীকৃতি দিতে ক্ষিদ্দা একটুও রাজি ছিলেন না।

  23. “বিষ্টু ধর চূর্ণ বিচূর্ণ। কথা বলার আর ক্ষমতা নেই।”—বিষ্টু ধরের এই অবস্থার কারণ উপন্যাস অবলম্বনে লেখো।
  24. ● ‘কোনি’ উপন্যাসে বিষ্টু ধরের রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে সুদৃঢ় করার জন্য তাঁর লক্ষ্য ছিল জন সংযোগবৃদ্ধি করা। এই উদ্দেশ্য নিয়ে সে ক্ষিতীশের সঙ্গে আলোচনা করছিল। ক্ষিতীশ তার প্রতিদ্বন্দী বিনোদ ভড়কে ছাপিয়ে যাবার জন্য পরামর্শ দিয়েছিলেন—“ও যদি কোনো হরিসভার পৃষ্ঠপোষক হয়, আপনাকেও একটি হরিসভায় ঘাঁটি করতে হবে। ও যদি কোনো সুইমিং ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হয়...”, সেক্ষেত্রে ক্ষিতীশের উদ্দেশ্য ছিল সাত হাজার টাকার বিনিময়ে বিষ্টু ধরকে অ্যাপোলোর সভাপতি করে দেওয়া। এই আলোচনার সময়ই সেখানে ক্ষিতীশের স্ত্রী লীলাবতী প্রবেশ করেন এবং তাঁর দোকানের সেলামি হিসেবে বিষ্টু ধরকে পাঁচহাজার টাকা দিয়ে যান | লীলাবতী চলে গেলেন ক্ষিতীশ তাঁর সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা বিষ্টু ধরকে জানান এবং সহজভাবে জানতে চান—“আপনি টাকাটা এখন নেবেন?” বিষ্টু ধর ব্যাবসার দোহাই দিলে ক্ষিতীশ বিনোদ ভড়ের কাছে চলে যাবার ভয় দেখায় এবং শেষপর্যন্ত রফাসূত্র হিসেবে বলে, হাজার দুয়েক টাকা ডোনেশন আর সাঁতারের কস্টিউম কেনার জন্য একশো টাকা তিনি যদি দিতে পারেন, তাহলেই বিষ্টু ধরকে অ্যাপোলোর প্রেসিডেন্ট করে দেওয়া হবে। শর্ত শুধু একটাই, সেলামির টাকাটা ফেরত দিতে হবে। বিষ্টু ধর তখন নিজের ভবিষ্যত সম্ভাবনায় আকুল | তাই অকপটে তিনি বলেন, “গাছে অনেক দূরে উঠে গেছি, মই কেড়ে নিলে নামতে পারব না।” জনসংযোগ আর অ্যাপোলোর প্রেসিডেন্ট হবার স্বপ্নে বিভোর বিষ্টু ধরের মনোভাব বোঝানোর জন্যই মন্তব্যটি করা হয়েছে।

  25. “মার খেয়ে ইস্পাত হয়ে উঠতে হবে।”—কখন বক্তা এরকম ভেবেছেন উপন্যাস অবলম্বনে লেখো।
  26. ● কোনিকে সাঁতারু বানানোর স্বপ্নে বিভোর হলেও ক্ষিতীশের এই প্রশিক্ষণপর্বে প্রথম দিকে তাঁর সঙ্গে কোনির মানসিক যোগাযোগ কখনোই মসৃণ হয়নি। এমনকি কোনির দাদা মারা গেলেও ক্ষিতীশের প্রশিক্ষণে কখনও ঘাটতি দেখা যায়নি। অনুশীলনের সময় পায়ের কাছে পড়ে থাকা ঢিল ছুঁড়ে সে কোনিকে মেরেছে। বাঁশের লগা হাতে নিয়ে কমলদিঘির পাড় দিয়ে হেঁটেছে, যাতে কোনি জল থেকে উঠতে না পারে। কোনির কাতর প্রার্থনাতেও কোনো কাজ হয়নি। বরং বাকি দুশো মিটার শেষ করার জন্য কড়া নির্দেশ এসেছে—“মাথা ভেঙে দেব। জল থেকে উঠবি তো মরে যাবি” অমানবিক হয়ে উটেছে ক্ষিতীশের কন্ঠস্বর আবার এরই মধ্যে ক্ষিতীশ লক্ষ করেছে, কোনি তার ক্লান্ত হাত দুটোকে জল থেকে টেনে তুলে আবার নামিয়ে রাখছে। শ্বাস নেওয়ার জন্য হাঁ করে বাতাস নিচ্ছে এবং তার চোখ দুটো যেন ঘুমে আচ্ছন্ন| এই কষ্টকে উপলব্ধি করেও প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ মনে মনে বলেন যে, কোনিকে যন্ত্রণা ঠেলে এগিয়ে যেতে হবে। খিদের তাড়না সে জানে। তাই যন্ত্রণার স্বরূপ তার অজ্ঞাত নয় | এই যন্ত্রণাকে বুঝতে পারলে তাকে হারিয়ে দেওয়া সম্ভব। এই প্রসঙ্গেই ক্ষিতীশ নীরবে উচ্চারণ করেছিল—“মার খেয়ে ইস্পাত হয়ে উঠতে হবে।”

  27. “দাদা আমায় বলেছিল টাকা থাকলেই সবাই খাতির করে।”—এখানে দাদা’ বলতে কার কথা বলা হয়েছে? কোন্ প্রসঙ্গে কথাটি উদ্ধৃত করা হয়েছে?
  28. ‘কোনি’ উপন্যাসের উল্লিখিত অংশে ‘দাদা’ বলতে কোনির দাদা কমলের কথা বলা হয়েছে।

    ● কোনির ঘুমের মধ্যে উচ্চারণ করা স্বপ্ন পূরণ করার জন্য ক্ষিদ্দা কোনিকে নিয়ে গিয়েছিল চিড়িয়াখানায় | ক্ষিদ্দার ঝোলার ভিতরে খাবার থাকলেও কাছে জল ছিল না। কিছু দূরে কোনি লক্ষ করেছিল স্কুলের পোশাক পরা মেয়েরা হইচই করছে। তাদের কাছে খাবারের ঝুড়ি যেমন আছে, তেমনই আছে ড্রামভরতি জলও | কোনি ক্ষিতীশের সম্মতি নিয়ে তাদের কাছে জল চাইতে যায়| কিন্তু জনৈক শিক্ষিকার কাছ থেকে সে প্রত্যাখান পায়| অপ্রতিভ কোনি ফিরে আসে এবং ক্ষিদ্দার মন্তব্যের উত্তরে জানায় যে, বড়োলোকেরা গরিবদের ঘেন্না করে। কোনির মুখে এসব কথা শুনে ক্ষিদ্দা অবাক হয়ে যান। বুঝতে চান যে কীভাবে এইসব কথা কোনি ভাবতে শিখল। তার উত্তরেই কোনি বলেছিল, তার দাদা তাকে বলে গিয়েছে যে, টাকা থাকলে সবাই খাতির করে। বস্তুত কোনির দাদা কমল নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এই সত্যে পৌঁছেছিল এবং মারা যাওয়ার আগে কোনিকে সেই শিক্ষা দিয়ে গিয়েছিল। তার কারণ সে জানত, আগামী দিনে তার মতোই কোনিকেও বেঁচে থাকার লড়াই করতে হবে।

  29. “এটাই ওকে উত্তেজিত করে বোমার মতো ফাটিয়ে দেবে আসল সময়ে”।—এই ভাবনাটি কার ছিল? কোন্ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই ভাবনা তা আলোচনা করো।
  30. ● ‘কোনি’ উপন্যাসে উল্লিখিত ভাবনাটি ক্ষিদ্দার মধ্যে প্রত্যক্ষ করা গিয়েছিল ।

    → চিড়িয়াখানায় ক্ষিদ্দার সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে নিজেদের কাছে জল না থাকায় কোনি গিয়েছিল কিছুদূরে স্কুলছাত্রীদের কাছে জল চাইতে। কিন্তু তাদের শিক্ষিকার দ্বারা সে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। এই ঘটনায় কোনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিল যে, বড়োলোকেরা গরিবদের ঘেন্না করে। এইসব কথাই যখন সে ক্ষিদ্দাকে বলছিল, তখন সেই স্কুলছাত্রীদের মধ্য থেকে একটি মেয়ে প্লাস্টিকের দুটি গ্লাসে জল ভরে নিয়ে তাদের কাছে আসে এবং শিক্ষিকার আচরণের জন্য তাদের কাছে ক্ষমা চায়। ক্ষিদ্দা এবং কোনি দুজনেই চিনতে পারে যে, মেয়েটি হল বালিগঞ্জ সুইমিং ক্লাবের হিয়া মিত্র। এই সময় কোনি অত্যন্ত অস্বাভাবিক একটা আচরণ করে। হিয়া মিত্রর হাতে ধরে থাকা গ্লাসে সে হাত দিয়ে আঘাত করে। আর তার ফলে সেটি ছিটকে ঘাসের ওপরে পড়ে যায়। এই ঘটনায় হিয়া এবং ক্ষিতীশ দুজনেই হতভম্ব হয়ে যায় এবং তারপর ক্ষিদ্দা কোনির হয়ে হিয়ার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। এই ঘটনার জন্য ক্ষিদ্দা ভেবেছিলেন কোনিকে তিনি খুব বকবেন। কিন্তু শেষ অবধি সে কিছুই বলেননি। কারণ ক্ষিতীশ বুঝতে পেরেছিলেন যে এই হিয়া মিত্ৰই কোনির ভবিষ্যৎ প্রতিদ্বন্দ্বী | তাই তিনি মনে মনে ঠিক করে নেন যে, কোনির হিংস্র আক্রোশটা ভোঁতা করে দেওয়া কখনোই ঠিক কাজ হবে না। সেই আক্রোশকে সে বুকের মধ্যে পুষে রাখুক যা কিনা তাকে একদিন সাফল্যের পথে নিয়ে যাবে।

  31. “তাহলে বিরাট এক অপূর্ণতা ক্ষিতীশের জীবনে যেন রয়ে যাবে।”—কোন্ প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে এবং এ জন্য তিনি কী করেছিলেন?
  32. ● ‘কোনি’ উপন্যাসে যখন ক্ষিদ্দার কাছে কোনির প্রশিক্ষণ ঠিক পথেই চলেছে এবং জুপিটারের অত্যন্ত প্রিয় সাঁতারু অমিয়ার থেকেও কোনি বেশি ক্ষিপ্র, তখনও কোনিকে ক্ষিদ্দা কোনো প্রতিযোগিতায় নামাননি। তার কারণ তিনি চেয়েছিলেন বালিগঞ্জের হিয়া মিত্রর সময় জেনে নিতে। এরকম পরিস্থিতিতে একদিন ক্ষিদ্দার সঙ্গে দেখা হয়ে যায় জুপিটারের দুই কর্তা ধীরেন ঘোষ আর বদু চাটুজ্জের। তারা কোনিকে নিয়ে ক্ষিদ্দাকে নানা তির্যক মন্তব্যে বিদ্ধ করতে চায়, কিন্তু তাদের কাছ থেকে ক্ষিদ্দা জানতে পারেন যে, কোনির পক্ষে কোনোদিনই আর হারানো সম্ভব হবে না। কারণ সে বছরটাই অমিয়ার সাঁতারু হিসেবে শেষ বছর। তারপরেই বিয়ে করে সে কানাডায় চলে যাবে। এই কথা শুনে ক্ষিতীশ সচকিত হয়ে ওঠেন। একদিন অমিয়া কোনিকে তার পা ধোয়া জল খাওয়ার কথা বলেছিল | তাই কোনি যদি অমিয়াকে হারাতে না পারে, তাহলে বিরাট একটা অপূর্ণতা তার জীবনে থেকে যাবে বলে ক্ষিতীশ মনে করেন।

    → ক্ষিতীশ মুহূর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেন যে, কোনিকে প্রতিযোগিতায় নামাবেন | বদু চাটুজ্জেরা তাতে আপত্তি জানান | এমন পরামর্শও দেন যে, অল্পবয়সে বাজেভাবে হেরে গেলে আখেরে কোনিরই ক্ষতি হবে। কিন্তু ক্ষিদ্দা ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই অ্যাপোলোর ভাইস প্রেসিডেন্ট নকুল মুখুজ্জেকে ক্ষিদ্দা জানিয়ে দেন যে, জুপিটারের প্রতিযোগিতায় কোনির এন্ট্রি যেন অবশ্যই নেওয়া হয়।

We are very glad that you want to share.
Thanks for sharing this.