অদল বদল (পান্নালাল প্যাটেল) সংক্ষিপ্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

অদল বদল (পান্নালাল প্যাটেল) সংক্ষিপ্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর, অদল বদল সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন Pdf, অদল বদল সংক্ষিপ্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর.

অদল বদল (পান্নালাল প্যাটেল) সংক্ষিপ্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর সাজেশন (প্রশ্নমান-৩)


অমৃত ও ইসাবের মধ্যে কী কী মিল ও অমিল ছিল?

● ‘অদল বদল’ গল্পটিতে আমরা অমৃত ও ইসাব নামের দুজন বন্ধুকে দেখতে পাই, যারা একই ক্লাসে এবং একই স্কুলে পড়ত। তাদের বাড়ি ছিল মুখোমুখি, দুজনেরই বাবা পেশায় চাষি ছিলেন। জমির পরিমাণও তাদের দুজনের একইরকম ছিল | দুজনেই বিপদে দুজনকে ধার দিত। অমৃত ও ইসাব জামাও একই রকম পরত। এইগুলোই ছিল তাদের মধ্যে মিল| একটি জায়গাতেই অমিল ছিল—অমৃত তার মা, বাবা আর তিন ভাইয়ের সঙ্গে থাকত, কিন্তু ইসাবের শুধুমাত্র বাবাই ছিল।


নতুন জামা পাওয়ার জন্য অমৃত কী কাণ্ড করেছিল?

● ইসাবের নতুন জামা হওয়ায়, অমৃতও চেয়েছিল তার নতুন জামা হোক | কিন্তু বাড়ি থেকে নতুন জামা দিতে রাজি না হওয়ায়, সে স্কুল যাওয়া বন্ধ করেছিল, খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিল। এমনকি জামা না পাওয়ায় অমৃত রাতে বাড়ি ফিরতেও চায়নি | নতুন জামা পাওয়ার জন্য মার খেতেও সে রাজি ছিল। এমনকি জামা না দিলে সে বাড়ি আসবে না বলেও স্থির করে ইসাবের বাবার গোয়ালঘরে লুকিয়েছিল।


“অমৃত এতেও পিছপা হতে রাজি নয়।”—অমৃত কীসে, কেন পিছপা হতে রাজি নয়?

● অমৃত তার বাবা-মায়ের কাছে ইসাবের জামার মতো একটা জামার জন্য বায়না ধরেছিল। মা তখন ওকে বেকায়দায় ফেলার জন্য বলেন, “নতুন জামা দেবার আগে ইসাবের বাবা ওকে খুব মেরেছিলেন, তুইও সেরকম মার খেতে রাজি আছিস?” এতেও অমৃত পিছপা হতে রাজি নয়। আসলে অমৃত ছিল জেদি এবং একরোখা| ইসাবের সঙ্গে পোশাকেও সমতা আনতে সে জামা নেবেই | তারজন্যই সে বাবার মার খেতেও রাজি |


নতুন জামা পরে রাস্তায় বেরোনোর পর অমৃতর সঙ্গে কী ঘটনা ঘটেছিল?

● অনেক জেদের পর অমৃত তার মা-বাবার থেকে নতুন জামা পায় । নতুন জামা পরে সে এমন কোনো কাজ করতে চায়নি যাতে তার জামাটি নোংরা হয়। কিন্তু তাকে নতুন জামা পরে বেরোতে দেখে দলের মধ্যে থেকে একটি ছেলে কুস্তি লড়তে বলে আর তাকে খোলা মাঠে নিয়ে যায়। অমৃত রাজি না হলেও, কালিয়া বলে ছেলেটি অমৃতকে ছাড়ে না, তার সঙ্গে কুস্তি লড়ে আর তাকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়।


“এই বলে সে অমৃতকে খোলা মাঠে নিয়ে এল”—অমৃতকে কেন খোলা মাঠে আনা হয়েছিল? খোলা মাঠে আনার পর কী ঘটনা ঘটেছিল?

● কালিয়া নামের একটি ছেলে চেয়েছিল অমৃতের সঙ্গে কুস্তি লড়তে | অমৃত রাজি না হলেও সে খোলা মাঠে তাকে কুস্তি লড়ার জন্য এনেছিল।

● মাঠে নিয়ে এসে কালিয়া অমৃতকে কুস্তি লড়তে বাধ্য করে এবং অমৃতকে ছুঁড়ে মাটিতে ফেলে দেয় | কালিয়া জিতে যাওয়ায় ইসাব রেগে যায়, কারণ অমৃত তার খুব ভালো বন্ধু ছিল। সে নিজে কালিয়াকে তার সঙ্গে লড়তে বলে আর তাকে সে কুস্তিতে হারিয়ে দেয়।


“অমৃতের অত জোর দিয়ে বলার কারণ ছিল” অমৃত জোর দিয়ে কী বলেছিল? জোর দিয়ে বলার কী কারণ ছিল?

● একটি ছেলে অমৃতকে ইসাবের সঙ্গে কুস্তি লড়তে বলেছিল। অমৃত তখন জোর দিয়ে বলেছিল যে লড়বে না।

বাড়ি থেকে বেরোবার সময় অমৃতের মা তাকে সাবধান করে দিয়েছিলেন, সে যেন তার গায়ের নতুন জামাটি ময়লা করে বা ছিঁড়ে না আনে | কারণ জামা পরার জন্য অমৃত তার বাবা মাকে জ্বালিয়েছিল | জামায় ময়লা লাগলে বা সেটা ছিঁড়লে মায়ের প্রহার নিশ্চিত ছিল বলে অমৃত কুস্তি লড়তে রাজি হয়নি।

ইসাব কী কারণে রেগে গিয়েছিল? রেগে গিয়ে সে কী করেছিল?

● ইসাব ও অমৃত দুজনে খুব ভালো বন্ধু ছিল | একে অন্যের বিপদে সবসময় এগিয়ে যেত। একদিন কালিয়া নামের একটি ছেলে অমৃতকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে কুস্তি লড়তে বাধ্য করে আর তাকে ছুঁড়ে ফেলেও দেয় | এই দৃশ্য দেখে ইসাব রেগে গিয়েছিল।

• ইসাব রেগে গিয়ে কালিয়াকে অর্থাৎ যে ছেলেটি অমৃতকে কুস্তি লড়তে বাধ্য করেছিল, তাকে আবার কুস্তি লড়তে আহবান জানায় আর কালিয়াকে সে হারিয়েও দেয়।


“অমৃত আর ইসাবও রণভূমি ত্যাগ করল।” কাকে রণভূমি বলা হয়েছে? তারা কেন সেই রণভূমি ত্যাগ করেছিল?

● কালিয়া নামে একটি ছেলে অমৃতকে কুস্তি লড়ার জন্য খোলা মাঠে নিয়ে গিয়েছিল | লেখক কৌতুক করে এই মাঠটাকে ‘রণভূমি’ বলেছেন।

অমৃত কুস্তি লড়তে রাজি হয়নি। কিন্তু ইসাব যখন দেখল কালিয়া তাকে সত্যি সত্যিই পরাজিত করেছে তখন সে আর স্থির থাকতে পারল না। সে নিজেই নেমে পড়ল কুস্তিতে| কালিয়াকে পরাজিতও করল। কিন্তু কালিয়ার বাবা-মা এসে উপস্থিত ছেলেদের পিটাতে পারে এই ভয়ে তারা সবাই পালিয়ে গেল | সবাই চলে যাবার পর অমৃত আর ইসাবও মাঠ ত্যাগ করে চলে গেল।


“তারা ভয়ে বাড়ির দিকে ছুটে পালাতে লাগল”—ইসাব আর অমৃত কেন ভয়ে বাড়ির দিকে ছুটেছিল?

● ইসাবের বাবা সুদখোরের থেকে টাকা ধার নিয়ে তাকে জামা তৈরি করে দিয়েছিলেন। আর অমৃত বাড়িতে জেদ করে নতুন জামা আদায় করেছিল। কিন্তু কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি লড়তে গিয়ে ইসাবের সেই নতুন জামা ছিঁড়ে গেছিল | ইসাব আর অমৃত তাই জামা অদলবদল করেছিল আর সেই জামা অদলবদলের দৃশ্য একটি ছেলে দেখেছিল | যদি তাদের বাবা-মা এই ব্যাপারটা জেনে যায় সেই ভয়ে তারা দুজনেই বাড়ির দিকে ছুটেছিল |


“ওদের তখন বুকের ধুকপুকুনি বন্ধ হবার জোগাড় ...।” কখন, কী কারণে ওদের বুকের ধুকপুকুনি বন্ধ হবার জোগাড় হয়েছিল?

● বন্ধুর অপমান সহ্য করতে না পেরে ইসাব কালিয়ার সঙ্গে কুম্ভি লড়েছিল। সেই কুস্তিতে কালিয়া পরাজিত হলেও ইসাবের নতুন জামাটা ছিঁড়ে যায় | অমৃতই প্রথম লক্ষ করেছিল জামার পকেট এবং ছ’ইঞ্চি পরিমাণ কাপড় ছিঁড়ে গেছে | জামাটা কতটা ছিঁড়েছে তা পরীক্ষা করার সময় ওরা শুনতে পেল ইসাবের বাবা ইসাবকে ডাকছেন | জামা ছেঁড়ার জন্য ইসাবের বাবা ওর চামড়া তুলে নেবেন এই চিন্তা করে। ওদের বুকের ধুকপুকুনি বন্ধ হবার জোগাড় হল।


“হঠাৎ অমৃতের মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল”—অমৃতের মাথায় কখন কী বুদ্ধি খেলেছিল?

● অমৃতকে কালিয়া জোর করে কুস্তি লড়িয়ে তাকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ায় ইসাব রেগে গিয়ে কালিয়াকে সে তার সঙ্গে লড়াইয়ের আহবান জানায় এবং তাকে হারিয়ে দেয়। এরফলে ইসাবের নতুন জামা ছিঁড়ে যায়| ইসাব তখন খুব ভয় পেয়ে যায়, কারণ সে জানত বাবার মারের হাত থেকে সে নিস্তার পাবে না। ইসাবকে ভয় পেতে দেখে অমৃতর মাথার একটা বুদ্ধি খেলেছিল| সে বুদ্ধি দিয়েছিল তার নিজের সঙ্গে ইসাবের জামা অদলবদল করে নেওয়ার।


“এতে দু’জনেরই ভয় কেটে গেল ...।”—দু’জন কে কে? কী কারণে ওদের ভয় কেটে গেল?

● পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ওরা দুজন হল অমৃত আর ইসাব।

● কুস্তিতে ইসাবের ছিঁড়ে যাওয়া জামাটা অমৃত পরেছিল, আর ভালো জামাটা ইসাবকে দিয়েছিল। কিন্তু বাড়ি ফিরে ছেঁড়া জামা দেখে অমৃতের মা কী বলবেন সেটাই ছিল ওদের ভয়ের কারণ| সেদিন ছিল হোলির দিন। এদিন একটু ধস্তাধস্তি টানা হ্যাঁচড়া চলে। তাই অমৃতের মা ভুরু কোঁচকালেন বটে, তবে মাফ করে দিলেন। তিনি একটা সুচসুতো নিয়ে ছেঁড়া জামাটা রিফু করে দিলেন। এতে দুজনেরই ভয় কেটে গেল ।


ইসাবের বাবা ইসাব আর অমৃতের জামা অদলবদলের | কাহিনি কীভাবে জানতে পেরেছিলেন? জানার পর ইসাবের বাবা কী করেছিলেন?

● বাবার মারের হাত থেকে ইসাবকে বাঁচাতে অমৃত জামা অদল বদল করার বুদ্ধি দিয়েছিল। তারা যখন গলিতে ঢুকে নিজেদের জামা অদলবদল করছিল তখন সেই দৃশ্য ইসাবের বাবা দেখেন আর জামা অদলবদলের কাহিনি জানতে পারেন।

● তাদের জামা অদলবদলের কাহিনি জানার পর অমৃতর মনের উদারতা তাঁকে আনন্দ দিয়েছিল। তিনি আনন্দে অমৃতকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। তারপর অমৃতর মাকে ডেকে সমস্ত পাড়াপড়শির সামনে ইসাবের বাবা অমৃত ও ইসাবের পরস্পরের প্রতি ভালোবাসার গল্প শুনিয়েছিলেন।


“উনি দশ বছরের অমৃতকে জড়িয়ে ধরলেন' কী কারণে অমৃতকে জড়িয়ে ধরলেন?

● ইসাবের বাবা দশ বছরের অমৃতকে জড়িয়ে ধরেছিলেন।

ইসাবের জামা ছিঁড়ে যাওয়ায়, ইসাবকে তার বাবার মারের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য অমৃত নিজের জামার সঙ্গে তার জামা বদলে নিয়েছিল | কারণ অমৃতকে তার বাবার মারের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য তার মা আছে; কিন্তু ইসাবের মা নেই, তার রয়েছে শুধু বাবা | তাই ছেঁড়া জামা পরলে অমৃত মারের হাত থেকে বাঁচলেও ইসাব বাঁচত না | অমৃতের মনের এই উদারতার পরিচয় পেয়ে আনন্দে ইসাবের বাবা অমৃতকে বুকে জড়িয়ে ধরেছিলেন।


“বাহালি বৌদি, আজ থেকে আপনার ছেলে আমার।” বাহালি বৌদি কে? বক্তা কেন তাঁকে একথাাা বলেছেন?

● পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল' গল্পে বাহালি বৌদি হলেন অমৃতের মা।

● ইসাবের ছেঁড়া জামা নিজের গায়ে পরে নিয়ে অমৃত তাকে বাবার হাতে মার খাওয়া থেকে বাঁচিয়েছিল। কারণ সে জানত ইসাবের মা নেই | থাকলে তিনি তাঁকে মার খাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতেন | অমৃতের মা আছে, তাই তাকে বাবার হাতে মার খেতে হবে না| আড়াল থেকে এই দৃশ্য দেখে ইসাবের বাবা মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। অমৃতের অকৃত্রিম বন্ধুপ্রীতির পরিচয় পেয়েই তিনি আলোচ্য উক্তিটি করেছেন।


“অমৃতের মতো ছেলে পেলে আমি একুশজনকেও পালন করতে রাজি আছি।”—বক্তা কে? তাঁর এমন উক্তির কারণ কী ?

● পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল-বদল’ গল্পের অন্যতম চরিত্র ইসাবের বাবা হলেন উদ্ধৃত উক্তিটির বক্তা।

→ কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি লড়তে গিয়ে ইসাবের জামা ছিঁড়ে যায়। ইসাবকে তার বাবার হাতে মার খাওয়া থেকে বাঁচাতে অমৃত তার নিজের ভালো জামাটা ইসাবকে দিয়ে দেয়। সে আরও বলে যে, তার মা আছে বলে সে বাবার মার খাওয়া থেকে বেঁচে যাবে; কিন্তু

ইসাবের তো মা নেই। একথা ইসাবের বাবা আড়াল থেকে শুনেছিলেন। একটি ছোটোছেলের বন্ধুর প্রতি এই ভালোবাসা এবং মহানুভবতার পরিচয় পেয়েই ইসাবের বাবা উদ্ধৃত মন্তব্যটি করেছেন।


“ও আমাকে শিখিয়েছে, খাঁটি জিনিস কাকে বলে।” ‘ও’ বলতে কার কথা বলা হয়েছে? সে কাকে কী শিখিয়েছিল?

● প্রখ্যাত গুজরাতি লেখক পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে ‘ও’ বলতে এখানে অমৃতকে বোঝানো হয়েছে।

● ইসাবের বাবা ওদের জামা বদলের ঘটনাটা আড়াল থেকে দেখেছিলেন। ইসাবকে অমৃত তার ভালো জামাটা দিয়ে ইসাবের ছেঁড়া জামাটা নিলে ইসাব তাকে জিজ্ঞাসা করেছিল তার বাবা মারলে সে কী করবে? তার উত্তরে অমৃত বলেছিল যে, তার তো মা রয়েছে | অমৃতের এই মন্তব্যকেই ইসাবের বাবা খাঁটি জিনিস বলে মনে করেছেন। সংসারে মায়ের যে কতখানি মূল্য তা অমৃতই যেন ইসাবের বাবাকে শিখিয়েছিল।


অমৃত ও ইসাবের জামা অদলবদলের কাহিনি যখন সবাই জানতে পারল তখন কী ঘটনা ঘটল ?

● অমৃত ও ইসাবের পরস্পরের প্রতি ভালোবাসার আর জামা অদলবদলের কাহিনি শুনে পাড়াপড়শির মন ভরে গিয়েছিল। এই ঘটনার পর সবাই তাদের ‘অদল বদল’ বলে ডাকত | তাদের রাস্তায় দেখতে পেলে, ছেলের দল তাদের ঘিরে “অমৃত-ইসাব অদল-বদল, ভাই অদল-বদল” বলত। এমনকি গ্রাম-প্রধানের কানে গিয়ে যখন একথা পৌঁছল তখন তিনি ঘোষণা করে দিলেন, অমৃত ও ইসাবকে ‘অদল বদল’ বলে ডাকার কথা। সবাই এই ঘোষণায় খুশি হল। অমৃত আর ইসাবও এই ডাক শুনে অপ্রস্তুত বোধ করত না, বরং খুশিই হত।


“গল্প শুনে তাদেরও বুক ভরে গেল।”—কোন্ গল্প? তা শুনে বুক ভরে যাবার কারণ কী?

● অমৃত আর ইসাবের পরস্পরের প্রতি ভালোবাসার গল্পের কথাই এখানে বলা হয়েছে।

● ইসাব আর অমৃত ছিল পরস্পরের বন্ধু। তাদের বন্ধুত্ব এতই নিবিড় ছিল যে, তারা একে অপরের জন্য প্রাণ দিতেও প্রস্তুত। আন্তরিকতাই তাদের বন্ধুত্বকে খাঁটি সোনায় পরিণত করেছিল। জামা অদলবদলের ঘটনা তারই জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। উভয়ের এই অকৃত্রিম বন্ধুত্বের পরিচয় পেয়ে পাড়াপ্রতিবেশীদের বুক ভরে গিয়েছিল।


“বরঞ্চ অদল-বদল বলাতে তাদের ভালোই লাগল ...I' কারা 'অদল-বদল' বলেছিল? এ কথা ওদের ভালোলাগার কারণ কী?

● ছেলের দল বাজি আর বুড়ির বাড়ি পোড়ানো দেখে ফেরার সময় অমৃত আর ইসাবকে ‘অদল-বদল’ বলেছিল।

অমৃত আর ইসাব পরস্পর জামা বদল করেছিল | ইসাবের ছেঁড়া জামাটা অমৃত পরেছিল। ওদের বন্ধুপ্রীতি দেখে ইসাবের বাবা মুগ্ধ হয়েছিলেন। বিশেষ করে অমৃতের আন্তরিকতা তাঁকে অভিভূত করেছিল | ফলে জামা অদলবদলের ঘটনাটায় আর কোনো ভয়ের কারণ ছিল না। তাই ইসাব আর অমৃত ছেলেদের ‘অদল-বদল’ ধবনি শুনে অপ্রস্তুত না হয়ে খুশিই হয়েছিল।


We are very glad that you want to share.
Thanks for sharing this.